এবার ফরম পূরুন করার পর্ব। নির্দেশিক কয়েক বার ভালো করে পড়ে পূরুন করতে লেগে গেলাম। মনের মধ্যে কেমন যানি উত্তেজনা কাজ করছিল এবং ভয় পাচ্ছিলাম যদি ভূল হয়।যা হোক বন্ধু অরুপ মহন্তের সহযোগিতায় ভালো ভাবেই ফরম পূরুনের কাজ শেষ করলাম।জমা দেওয়ার সময় সাথে দুই কপি ছবি এবং এসএসসি ও গ্রাজুয়েশনের সার্টিফিকিট সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। সৎ (সৎ বললাম কারন নিজে সীল তৈরি করে সত্যায়িত করা যায়) উপায়ে সত্যায়িত করার জন্য গেলাম রাজশাহী কলেজে। সংগত কারনে আমি ডিপার্টমেন্ট এর নাম উল্লেখ করলাম না।কোন শিক্ষকই আমাকে সত্যায়িত করে দিলেন না। তাঁরা যুক্তি দেখালেন তোমাকে তো আমরা চিনিনা সো একাজে আমরা অপারগ।আমি বললাম আমার সংগে সব কাগজপত্রে মূল কপি আছে আর ছবির ব্যাপারে আমি স্বয়ং উপস্থিত আছি।তবুও মহোদয় দিলেন না। মনে মনে ভাবলাম নিজে নিজেই সত্যায়িত করা ভালো ছিল।মনে খুব রাগ হলো সারা বিকেল খোজে একজন শিক্ষকের বাসায় গিয়ে সব কথা খোলে বললাম।তিনি সব কাগজপত্র সত্যায়িত করে তিনি মুচকি হেসে বললেন "তোমাকে পুলিশে ধললে আমাকে নিতে ভূলনা"।
ফরমের সকল কাজ শেষ করে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। বন্ধু অরুপের কাছে শুনলাম জমা দেওয়ার স্থান জেলা পরিষদে খুব ভিড়।পরে দিন খুব সকালে (তারিখ ২০/০৪/০৯) সকাল সাত টায় পৌছে গেলাম রাজশাহী জেলা পরিষদে।পৌছে দেখি আমার আগে থেই সেখানে বেশ কিছু কান্ডিডেট ফরম জমা দেওয়ার জন্য লাইন নিয়ে অপেক্ষা করছে।আমি ও লাইনে দাঁড়ালাম। সকাল ৭ টা থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অবশেষে ফরম জমা দিতে পারলাম। ফরম জমা দেওয়ার পর থেকেই নিজেকে কেমন কেমন প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা মনে হচ্ছে (জোক করলাম)। সবাই দোয়া করবেন আমি যেন সত্যিই প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হতে পারি।



