Sunday, April 26, 2009

জমা দিলাম ২৯ তম বিসিএস পরীক্ষার ফরম

পনি হয়তো চাকুরির বিজ্ঞাপন অথবা অন্য কোন বিজ্ঞাপন দেখছেন।বিজ্ঞাপনে দেখলেন লিখা আছে ঐ কাজের জন্য আপনাকে ছবি এবং কিছু প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে হবে এবং সেগুলো প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সত্যায়িত হতে হবে।ভাবছেন প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা কারা। বাংলাদেশ কর্ম কমিশন কর্তৃক (বিপিএসসি) বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তিগনই হলেন প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা। যা হোক এবার মূল কথায় আসা যাক।অনেক দিনের ইচ্ছা আমার গ্রাজুয়েশন করার পর একবার হলেও বিসিএস পরীক্ষা দিবো। প্রথম বারের মত সে সুয়োগ পেলাম ২৯ তম বিসিএস এর সময়ে।পত্রিকার পুরো পাতা জুড়ে বিশাল সার্কুলার খুব মন দিয়ে পড়লাম। এবার ফরম উঠানোর পালা একদিন সময় করে হাজির হলাম রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী সোনালী ব্যাংকের কর্পোরেট শাখায় যেটা সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে অবস্থিত। ব্যাংকে দুইশত টাকা নগদ জমা দেওয়ার পর একটি বুথে লাইন নিয়ে দাড়িয়ে থাকলাম ফরম সংগ্রহের জন্য। টাকা জমা রশিদ দেখিয়ে খাতায় স্বাক্ষর করে ফরম নিলাম। ভেবেছিলাম শুধু একটা ওএমআর একটা শীট দিবে। একি আমাকে তারা ফরম পূরুন এবং প্রিলিমিনারি পরীক্ষার দুইটি নির্দেশিকা ও একটি মোটা সিলেবাস দিলেন। যাক তাহলে দুইশত টাকা নগদ উসুল হলো।
২৯ তম বিসিএস পরীক্ষার ফরম


বার ফরম পূরুন করার পর্ব। নির্দেশিক কয়েক বার ভালো করে পড়ে পূরুন করতে লেগে গেলাম। মনের মধ্যে কেমন যানি উত্তেজনা কাজ করছিল এবং ভয় পাচ্ছিলাম যদি ভূল হয়।যা হোক বন্ধু অরুপ মহন্তের সহযোগিতায় ভালো ভাবেই ফরম পূরুনের কাজ শেষ করলাম।জমা দেওয়ার সময় সাথে দুই কপি ছবি এবং এসএসসি ও গ্রাজুয়েশনের সার্টিফিকিট সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে। সৎ (সৎ বললাম কারন নিজে সীল তৈরি করে সত্যায়িত করা যায়) উপায়ে সত্যায়িত করার জন্য গেলাম রাজশাহী কলেজে। সংগত কারনে আমি ডিপার্টমেন্ট এর নাম উল্লেখ করলাম না।কোন শিক্ষকই আমাকে সত্যায়িত করে দিলেন না। তাঁরা যুক্তি দেখালেন তোমাকে তো আমরা চিনিনা সো একাজে আমরা অপারগ।আমি বললাম আমার সংগে সব কাগজপত্রে মূল কপি আছে আর ছবির ব্যাপারে আমি স্বয়ং উপস্থিত আছি।তবুও মহোদয় দিলেন না। মনে মনে ভাবলাম নিজে নিজেই সত্যায়িত করা ভালো ছিল।মনে খুব রাগ হলো সারা বিকেল খোজে একজন শিক্ষকের বাসায় গিয়ে সব কথা খোলে বললাম।তিনি সব কাগজপত্র সত্যায়িত করে তিনি মুচকি হেসে বললেন "তোমাকে পুলিশে ধললে আমাকে নিতে ভূলনা"।
রমের সকল কাজ শেষ করে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিলাম। বন্ধু অরুপের কাছে শুনলাম জমা দেওয়ার স্থান জেলা পরিষদে খুব ভিড়।পরে দিন খুব সকালে (তারিখ ২০/০৪/০৯) সকাল সাত টায় পৌছে গেলাম রাজশাহী জেলা পরিষদে।পৌছে দেখি আমার আগে থেই সেখানে বেশ কিছু কান্ডিডেট ফরম জমা দেওয়ার জন্য লাইন নিয়ে অপেক্ষা করছে।আমি ও লাইনে দাঁড়ালাম। সকাল ৭ টা থেকে ৯.৩০ পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে অবশেষে ফরম জমা দিতে পারলাম। ফরম জমা দেওয়ার পর থেকেই নিজেকে কেমন কেমন প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা মনে হচ্ছে (জোক করলাম)। সবাই দোয়া করবেন আমি যেন সত্যিই প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড কর্মকর্তা হতে পারি।

Friday, April 10, 2009

লবণ কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর

আপনি জানেন কি বেশি লবণ স্বাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতির কারন হতে পারে।লবণ হৃদরোগের ঝঁকি বৃদ্ধি করতে বড় রকমের ভুমিকা রাখে।লবণ বেশি খেলে কিভাবে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ে সেই বিষয়ে সে বিষয়ে প্রথম আলোর স্বাস্থ্য কুশল বিভাগে গত ০৮/০৪/০৯ তারিখে কয়েকটি খুব ভালো প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।আমি এখানে আপনাদের সুবিধার্থে লবণ খাওয়ার অপকারিতা এবং লবণ কম খাওয়ার দিকনির্দেশা টি প্রকাশ করলাম

অধিক লবণ গ্রহণ স্বাস্েথ্যর ওপর যথেষ্ট ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণের ফলে আমাদের রক্তচাপ বৃদ্ধি পায় এবং মস্তিষ্কেক রক্তক্ষরণ (স্ট্রোক), হার্ট অ্যাটাক, কিডনি ও হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশ্বের যেসব জনগোষ্ঠী লবণ কম খায় তাদের শতকরা ৮০ ভাগের উচ্চ রক্তচাপ থাকে না। পক্ষান্তরে যেসব জায়গায় মানুষ লবণ বেশি গ্রহণ করে, যেমন জাপানে উচ্চ রক্তচাপ মহামারি আকারে বিস্তার লাভ করেছে; সেখানকার প্রাপ্তবয়স্কদের প্রায় অর্ধেকই উচ্চ রক্তচাপের শিকার। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ ছাড়াও অস্টিওপোরোসিস, পাকস্থলির ক্যান্সার, শারীরিক স্থুলতা হতে পারে এবং অ্যাজমা থাকলে এর উপসর্গগুলো বৃদ্ধি পায়।

কীভাবে লবণ কম গ্রহণ করা যায়
সদিচ্ছা থাকলেই অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ থেকে বিরত থাকা সম্ভব। লবণ ও সোডিয়াম কম গ্রহণের জন্য যা করণীয়−
  • খাবারের সঙ্গে আলাদাভাবে (পাতে) লবণ খাবেন না।
  • টেবিলে লবণদানি রাখবেন না।
  • রান্না করার সময় খাবারে অল্প লবণ ব্যবহার করুন।
  • ফাস্টফুড, রেস্টুরেন্ট ও ক্যান্টিনের খাবারে প্রচুর লবণ থাকে, এ জন্য এসব খাবার কম খাবেন।
  • টিনজাত স্যুপ, সবজি, মাংস-মাছ, প্রক্রিয়াজাত পনির ও মাংস, হিমায়িত খাবার, শুঁটকি মাছ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলুন।
  • খাদ্য সংরক্ষণ করার জন্য লেবুর রস, ভিনেগার, কাঁচা রসুন ও মসলা ব্যবহার করুন।
  • খাদ্য সুস্বাদু করার জন্য ব্যবহূত বিভিন্ন দ্রব্য যেমন−কেচাপ, সয়াসস, সালাদ বানানোর উপকরণ, আচার কম ব্যবহার করুন।
  • কাঁচা ফলমূল বা শাক-সবজি খাওয়ার সময় লবণ দিয়ে খাবেন না।
  • লবণবিহীন ক্র‌্যাকার্স, পপকর্ন ও বাদাম খান।
  • ঘরে-বাইরে খাদ্য নির্বাচনের আগে কম লবণ ও সোডিয়াম কম সমৃদ্ধ খাবারগুলো নির্বাচন করুন।
  • আপনার সন্তানকে শৈশব থেকেই কম লবণযুক্ত খাদ্য খাওয়ানোর অভ্যাস করুন।
  • হোটেল বা দোকানে ‘ধুমপান নিষেধ’-এর পাশাপাশি ‘অতিরিক্ত লবণ খাবেন না’ লিখে রাখুন।
বাইরের খাবারের ক্ষেত্রে আমাদের উচিত এমন নির্দেশনা দেওয়া, যেন খাদ্যে লবণের মাত্রা কম থাকে। আমাদের দেশের খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর এ ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভুমিকা পালন করা দরকার, যাতে তারা তাদের খাবারের গায়ে ও মেন্যুতে লবণ ও সোডিয়ামের পরিমাণ লিখে রাখে।
আমাদের দেশে খুব একটা গবেষণা না হলেও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে প্রতিদিন একজন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি পাঁচ গ্রাম (এক চা-চামচ) বা তারও কম লবণ গ্রহণ করতে পারেন। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য এ পরিমাণ অবশ্যই আরও কম হতে হবে।
মানুষ অভ্যাসের দাস। আমরা যদি ধীরে ধীরে বাড়িতে কম লবণ দিয়ে খাদ্য তৈরি করি এবং আলগা লবণ না খাই, লবণাক্ত খাবার এড়িয়ে চলি, কম লবণযুক্ত খাবার কেনা শুরু করি, তাহলে সেটাই অভ্যাস হয়ে যাবে। আসুন, সবাই ‘লবণ কম খাব, সুস্থ থাকব’−এই স্েলাগানে উদ্বুদ্ধ হই।
সুত্র: হাইপারটেনশন কমিটি অব ন্যাশনাল
হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশ।
কৃতজ্ঞতা: প্রথম আলো

Sunday, March 29, 2009

Printing problem with Epson LQ 2180 printer, Solution here

One day my teacher M Monimul Haque called me and offered me "could you repair a Epson LQ printer." I just replied let me have some time to experiment.That time time I found out printer was not install correctly. I installed the printer correctly.After 15 days an emergency call came to me over my cell phone and told me "the printer what you repaired few days ago did not working, we are suppose to stop our work". I then a little bit worried about the problem and went to the spot.The problem was motherboard printing port did not send any signal to the the printer.I tried my best to overcome the threat but sorry to say my three hours hard work went to dust. I came to my home for that day and whole night I argued the problem on the internet in various site, no suitable answer came to me.but..................
one nice idea came to my mind as the computer did not send printing signal by the parallel port, I manage a media that helps to transmit signal to the printer.I started scarch the the transmitting media and within the short time I got the solution.You what was my media,could you assume......
The media was a general USB to LPT adaptor see the picture

After installing the cable on the computer I get my exepected result.Hurrah Epson LQ 2180 printer start to print again.

Monday, March 23, 2009

প্রথম কম্পিউটারের নাম শোনা, দেখা এবং প্রথম স্পর্শ

একটা আজব যন্ত্র তার নাম "কম্পিউটার":
মি গ্রামের ছেলে বাস করি অঁজ পাড়া গাঁয়ে।শহর থেকে লোকজন ফিরে এসে (বিশেষ করে ডাক্তার দেখিয়ে এসে) প্রায় গল্প করে আজ ডাক্তারের চেম্বারে এমন একটা যন্ত্র দেখেছে যা এমন কোন রোগ নেই ধরতে পারেনা। "ডাক্তার আমাকে সেই যন্ত্র দিয়ে পরীক্ষা করেছে। এবার রোগ না সেরে রক্ষা নেই।" আমি তাদের বক্তব্য শুনে অবাক। বরাবরই আমার নতুন জিনিসের প্রতি বিশেষ করে যন্ত্রপাতির প্রতি সীমাহীন আগ্রহ। তাদের কে নাম জিজ্ঞাসা করলাম বলতে পারলনা।খুব করে অনুরোধ করলাম পরবর্তী সময়ে গেলে যেন নামটা অবশ্যয় শুনে আসে।যন্ত্রটির নাম শুনলাম "কম্পিউটার" আর তারা যোগ করল "অনেকটা ক্যালকুলেটারের মত বোতাম টিপে কাজ করতে হয়"। এক নতুন ভাবনা মাথায় ঢুকে গেল ঐ যন্ত্রটা আসলে কি কোন বড় ক্যালকুলেটার। এরপর থেকে ক্যালকুলেটার দেখলে আমার কম্পিউটার এর কথা মনে পড়তো।
প্রথম কম্পিউটার দেখা: ১৯৯৭ সালের ঘটনা বড় ভাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে বগুড়া গেছি।মেসে ভাইয়ের এক বন্ধুর (নাম জোহা) সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলাপ করছি সুযোগ বুঝে তাকে জিজ্ঞেস করলাম বস কম্পিউটার কি আর এটা কি আমাকে দেখাতে পারবেন।তিনি সকাল পর্যন্ত অপক্ষে করতে বললেন। সকাল ১০টায় সেই জোহা ভাই আমাকে নিয়ে সরকারী আযিযুল হক কলেজে গেলেন কম্পিউটার দেখাতে।দশ মিনিটের পথ উত্তেজনায় মনে হল ত্রিশ মিনিটেও পথ শেষ হবেনা।কলেজে পৌছে তিনি আমাকে একটি কাঁচের দরজা লাগানো ঘরের কাছে নিয়ে গেলেন।সেই ঘরের মধ্যে প্রায় জনাবিশেক ছেলে একটি করে টেলিভিশনের সামনে বসে আছে। জোহা ভাইকে আর বলতে হলোনা এই গু্লোর নাম "কম্পিউটার" তার আগেই আমি কম্পিউটার দেখে ফেললাম।এবার কাছ থেকে দেখবো বলে জেদ ধরলাম। জোহা ভাই এক শিক্ষক মহোদয় কে আমার আর্জি জানালেন।শিক্ষক যা বললেন শুনে তখনই আমার গন্ধযুক্ত দামি সাবান দিয়ে গোসল করতে ইচ্ছে করল।তিনি বলেছিলেন "পিয়ন সাবান নিয়ে চলে গেছে, সাবান দিয়ে হাত না ধুলে ভিতরে প্রবেশ করা নিষিদ্ধ"।
প্রথম কম্পিউটার স্পর্শ করা:
সময় ১৯৯৯ সাল তত দিনে কলেজে পড়া শুরু করেছি। একদিন কলেজে কম্পিউটার কেনা হলো।ভাবলাম প্রাণ ভরে কম্পিউটার ছুঁয়ে দেখবো কাজ শিখবো।ওরে বাবা এই ব্যাটারা দেখি আরো কনজারভেটিভ কম্পিউটার দূরে থাক প্যাকেটের গায়েও হাত দিতে দেয়না।আশা ছাড়লাম না অপেক্ষা করতে লাগলাম। কম্পিউটার সেট করার সময় অপারেটর দেখল তাদের ইলেকট্রিক লাইন লাগানোর কোন ব্যবস্থা নেই যেটা একটা মাল্টিপ্লাগ হলে সংযোগ দেওয়া সম্ভব।আমি এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বললাম আমার কাছে মাল্টিপ্লাগ আছে আমাকে কম্পিউটারে হাত দিতে দিলে আমি তা এনে দিতে পারি।মাল্টিপ্লাগের বিনিময়ে টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে থেকে কম্পিউটার চালু করা দেখলাম। অনেক সময় পেরিয়ে গেল আমাকে আর স্পর্শ করার সুয়োগ দেয়না।জিজ্ঞেস করলে বলে একটু অপেক্ষা করো। এক সময় বিরক্ত হয়ে বললাম ছুঁতে দেন নইলে মাল্টিপ্লাগ খুলে নিয়ে যাবো। হুমকিতে কাজ হলো। কাছে ডেকে অপারেটর আমাকে যা বললেন সেটা শুনবেন(!) "আমি মাউসের উপর হাত দিয়ে থাকবো আর তুমি আমার হাতের উপর হাত দিয়ে মাউস ধরবে বুঝেছো"।ব্যাটা কত বড় ইডিয়ট নাকি স্বার্থপর।কি আর করা তার হাতের উপর দিয়েই জীবনে প্রথম কম্পিউটার স্পর্শ করলাম।আর অনুভুতিটা ছিল ভয়ানক রকমের উত্তেজনা কর।
........................শেষ। পরে একদিন প্রথম কম্পিউটার কেনার কথা বলব।

Who I am

Hello, every body I am dhrobonil welcome to my blog. Dhrobonil my internet name. Here I have the liberty to do somethings with the touch of my mind. I shall try to place the creative doings in this blog. My interest to write about IT, Economics and also surely current issues. Don't wait lets discover.....